রবিবার ১৪ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বঙ্গাব্দ
রাজনীতি

রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক সংকট নিরসনে শহীদ জিয়া অমর হয়ে থাকবে- দুদু

সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি ১৩ জুন ২০২৬ ১০:০৬ পি.এম

রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সংকট, শহীদ জিয়া

সাইফুল আলম, ঢাকা: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে "মেজর জিয়া ও বাংলাদেশ শীর্ষক"-আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজ। গতকাল শুক্রবার বিকাল ০৩:০০ ঘটিকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের (৩য় তলায়) আব্দুস সালাম হলে আয়োজিত এই প্রগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাদ শামসুজ্জামান দুদু, ভাইস চেয়ারম্যান, জাতীয় নির্বাহী কমিটি বিএনপি।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত নাম। তিনি মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা- পরবর্তী রাষ্ট্র গঠন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন। তাঁর জীবন ও কর্ম বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গভীর প্রভাব ফেলেছে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে মেজর জিয়াউর রহমানের নাম বিশেষভাবে স্মরণীয়। তিনি ২৬শে মার্চ ১৯৭১ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন, যা দেশের জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রাণিত করে। পরবর্তীতে তিনি সেক্টর কমান্ডার হিসেবে সরাসরি যুদ্ধ পরিচালনায় অংশ নেন এবং বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ।স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে ১৯৭৫ সালের পর তিনি দেশের নেতৃত্বে আসেন । রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও উৎপাদনমুখী উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জনাব মীর সরাফত আলী সপু, সেচ্ছাসেবক বিষায়ক সম্পাদক,  বিএনপি,  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নিলুফার চৌধুরী মনি, এমপি, ফরিদা ইয়াসমিন এমপি। সভাপতিত্ব করেন, অ্যালবার্ট পি. কষ্টা, সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শহিদুল ইসলাম (ভিপি শহীদ),  সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজ।

শহীদ জিয়ার শাসনামলে গ্রামভিত্তিক উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং স্বনির্ভর অর্থনীতি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।সমরাজনৈতিক ক্ষেত্রে তাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবদান হলো বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তন। তিনি একদলীয় শাসনব্যবস্থার পরিবর্তে রাজনৈতিক বহুমত ও অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করেন। সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সম্প্রসারণেও তাঁর সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পররাষ্ট্রনীতিতে তিনি “সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়”-এই নীতিকে গুরুত্ব দেন, যা বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণে সহায়ক হয় ।সব মিলিয়ে বলা যায়, মেজর জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তাঁর অবদান প্রশংসিত। ফলে তাঁর জীবন ও কর্ম বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘদিন আলোচনার বিষয় হয়ে থাকবে।

আরও খবর

news image

রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক সংকট নিরসনে শহীদ জিয়া অমর হয়ে থাকবে- দুদু

news image

সহনশীল রাজনীতি, না মব সংস্কৃতি! বাংলাদেশ হাঁটবে কোন পথে?

news image

রাষ্ট্র, সমাজ ও নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগে স্থিতিশীল বাংলাদেশ গঠনে এখনই সময়

news image

রমজানের এই আয়োজনের মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় হবে- জয়রুল আবেদীন ফারুক

news image

স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের পুনর্বহালের দাবি

news image

বাংলাদেশ লেবার পার্টির আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

news image

গণভোটের রায়ের ব্যাপারে গড়িমসি করার ফলে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট হওয়ার ঝুঁকি তৈরী হয়েছে

news image

নতুন সরকারের প্রথম ১০০ দিনের অগ্রাধিকার নিয়ে মতবিনিময় সভা